Health tips

 সকাল ৬:৩০টায় 

 ঘুম থেকে ওঠা
দাঁত ব্রাশ
৫০০ ml জল (প্রায় ২ গ্লাস)

সকাল ৭:০০টায়
হাই-প্রোটিন স্মুদি 
উপকরণ: ১টি বড় কলা, ৩ টেবিল চামচ আপনার তৈরি করা হোমমেড প্রোটিন পাউডার (সয়াবিন, বাদাম, ওটস, তিসি ও চিয়া সিড মিশ্রিত), ১ চামচ গুড় এবং ২৫০ মিলি জল বা সয়া মিল্ক।

অথবা ওটস ও পিনাট বাটার প্যানকেক
উপকরণ: ১ কাপ ওটস গুঁড়ো, ১টি কলা (চটকানো), ২ চামচ পিনাট বাটার এবং সামান্য জল দিয়ে ব্যাটার তৈরি করে প্যানে সেঁকে নিন।

সকাল ৭:৩০ টায় ৫০০ এম এল জল খাওয়া প্লাস workout


সকাল ১০:০০ টা
মুড়ি মাখা
উপকরণ: ২ বাটি মুড়ি, ১ মুঠো ভেজানো ছোলা ও মুগ, ১টি সেদ্ধ আলু, শসা-গাজর-বিট কুচি এবং ২ চামচ সরষের তেল বা পিনাট বাটার।
অথবা রুটি এবং সাথে কি ?

সকাল ১১:০০টায় ৫০০ এম এল জল খাওয়া 


দুপুর ১ টায় ৫০০ এম এল জল খাওয়া 

দুপুর ১:৩০ থেকে ২:৩০
ভাত, ডাল [মুগ ও মুসুর ডালের সাথে রাজমা (Kidney Beans), কাবুলি ছোলা (Chickpeas) এবং কলাইয়ের ডাল (Black Gram) মিশিয়ে 'মিক্স ডাল' তৈরি করুন ], সয়াবিন, আলুমাখা, অন্যান্য সবজি তরকারি

দুপুর ৩ টায় ৫০০ এম এল জল খাওয়া 


বিকাল ৫:৩০
স্প্রাউট স্যালাড - অঙ্কুরিত মুগ ডাল, ছোলা, শসা, টমেটো, এবং সামান্য লেবুর রস,সেদ্ধ আলু, ১-২ বড় চামচ ভাজা তিসি বীজ, কুচানো গাজর ও বিট, এক চামচ কাঁচা সরষের তেল বা অলিভ অয়েল, ভাজা চিনা বাদাম মিশিয়ে দিন।

অথবা পিনাট বাটার ও কলা টোস্ট: যদি বাড়িতে পাউরুটি থাকে, তবে তাতে প্রচুর পরিমাণে পিনাট বাটার লাগিয়ে তার ওপর কলা স্লাইস দিয়ে খান। 


২৫০ মিলি জল

রাত ৯ টায় ডিনার
রুটি ও স্পেশাল তড়কা অথবা মুড়ি ও ঘুগনি অথবা রুটি ও সোয়াবিন কষা অথবা সবজি খিচুড়ি ও বাদাম অথবা রুটি ও ছোলার ডাল


২৫০ মিলি জল


১০:৩০ থেকে ১১ টার মধ্যে ঘুমিয়ে পড়া





১. পুষ্টির শোষণ ও হজমশক্তি বৃদ্ধির প্রাকৃতিক উপায়
ভারী খাবার খাওয়ার পর সেগুলো যাতে শরীরে ঠিকমতো লাগে, তার জন্য এগুলো যোগ করুন:

আদা ও জোয়ান: দুপুরে ও রাতে ভারী খাবার খাওয়ার ১৫-২০ মিনিট পর সামান্য আদা কুচি বা জোয়ান চিবিয়ে খেলে এনজাইম নিঃসরণ বাড়ে, যা হজমে সাহায্য করে।
অ্যাপেল সাইডার ভিনেগার: লাঞ্চ বা ডিনারের ১৫ মিনিট আগে এক গ্লাস জলে ১ চামচ অ্যাপেল সাইডার ভিনেগার মিশিয়ে খেলে পাকস্থলীর অ্যাসিডিক পরিবেশ উন্নত হয়, ফলে প্রোটিন ও মিনারেল শোষণ সহজ হয়।
প্রোবায়োটিক (Probiotics): যেহেতু আপনি ডেইরি দুধ খান না, তাই ঘরোয়া উপায়ে তৈরি নারকেলের দুধের দই বা গাঁজানো সবজি (Pickled vegetables) খেতে পারেন। এটি অন্ত্রের উপকারী ব্যাকটেরিয়া বাড়িয়ে হজমক্ষমতা উন্নত করে।
২. প্রয়োজনীয় ভেগান সাপ্লিমেন্টসমূহ
একজন ভেগান হিসেবে কিছু পুষ্টি উপাদান সরাসরি খাবার থেকে পাওয়া কঠিন হতে পারে। আপনার ২০২৪-এর রিপোর্টে ভিটামিন B12 এবং D স্বাভাবিক থাকলেও, দীর্ঘমেয়াদী সুস্বাস্থ্যের জন্য নিচের বিষয়গুলো বিবেচনা করুন:

ভিটামিন B12: এটি মূলত প্রাণিজ খাবারে থাকে। আপনার বর্তমান লেভেল ($475 \text{ pg/ml}$) স্বাভাবিক সীমার মধ্যে থাকলেও, ভেগান ডায়েটে এটি বজায় রাখতে চিকিৎসকের পরামর্শে বছরে অন্তত একবার চেকআপ করুন বা সাপ্লিমেন্ট নিতে পারেন।
 

ভিটামিন D3: আপনার রিপোর্ট অনুযায়ী আপনি বর্তমানে সাফিশিয়েন্ট ($44.2 \text{ ng/ml}$), তবে ইনডোর কাজ বেশি করলে এটি কমে যেতে পারে।
ওমেগা-৩ (DHA/EPA): আপনি তিসি বীজ এবং আখরোট খাচ্ছেন, যা ভালো। তবে যদি মনে হয় ব্রেন ফোকাস কম হচ্ছে, তবে অ্যালগি-বেসড (Algae-based) ওমেগা-৩ সাপ্লিমেন্ট নিতে পারেন যা সরাসরি শোষণ হয়।
আয়রন ও ভিটামিন C: শরীরে আয়রন শোষণের জন্য লেবুর রস বা ভিটামিন C যুক্ত ফল জরুরি। আপনার স্প্রাউট স্যালাডে লেবুর রস দেওয়ার অভ্যাসটি এটি নিশ্চিত করবে।



. হজম ও শোষণ নিশ্চিত করার ৫টি সোনালী নিয়ম
১. ভালো করে চিবিয়ে খাওয়া: আপনার যেহেতু দুটি দাঁত নেই, তাই খাবার একদম তরল না হওয়া পর্যন্ত চিবিয়ে খাবেন। লালাগ্রন্থি থেকে নিঃসৃত এনজাইম হজমের প্রথম ধাপ। ২. খাবার মাঝখানে জল না খাওয়া: খাওয়ার সময় জল খেলে পাচক রস পাতলা হয়ে যায়। খাওয়ার ৩০ মিনিট আগে বা ১ ঘণ্টা পর জল পান করুন। ৩. পর্যাপ্ত জল পান: আপনি প্রতিদিন ৪ লিটার জলের লক্ষ্যমাত্রা পূরণ করবেন যাতে শরীর থেকে টক্সিন বেরিয়ে পুষ্টি শোষণের জায়গা তৈরি হয়। ৪. হুকওয়ার্ম (Hookworm) চিকিৎসা: আপনি আগে কৃমির সমস্যার কথা জানিয়েছিলেন। যদি পেটে কৃমি থাকে, তবে সব পুষ্টি তারাই খেয়ে ফেলবে। তাই বছরে একবার ডিবর্মিং (Deworming) করা জরুরি। ৫. সক্রিয় থাকা: খাওয়ার পর অন্তত ১০-১৫ মিনিট বজ্রাসন বা হালকা পায়চারি করুন, যা হজমে চমৎকার কাজ করে।

Comments

Popular posts from this blog

What kind of food increases brain power?